|
বঙ্গাব্দ | শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

www.bdcrimewatch.com : একটি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, অবানিজ্যিক, সমাজসেবা মূলক উদ্যোগ।
আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া অনিয়ম, অসঙ্গতি ও অপরাধের তথ্য দিতে যোগাযোগ করুন।

Big Adds 2

দালালের ফাঁদে ভারত যাত্রা, কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২০ কিশোর-কিশোরী

Reporter
রিপোর্টারের নামঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্ট টাইম : 2026-05-14 19:49:20
  • 4572 বার পঠিত
দালালের ফাঁদে ভারত যাত্রা, কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২০ কিশোর-কিশোরী
ছবির ক্যাপশন: কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২০ কিশোর-কিশোরী

ভালো কাজ আর উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাদের। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় দুঃস্বপ্নে। দীর্ঘদিন কারাভোগ ও শেল্টার হোমে কাটানোর পর অবশেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে ২০ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী।

বুধবার বিকেলে বেনাপোল চেকপোস্টের নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বাংলাদেশের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। দেশে ফেরা শিশুদের মধ্যে ১৩ জন কিশোরী ও ৭ জন কিশোর রয়েছে। তাদের বাড়ি যশোর, খুলনা, নড়াইল ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

ইমিগ্রেশন ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক মাস আগে দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে তারা সীমান্তের অবৈধ পথে ভারতে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবারের সদস্য বা পরিচিতজনের মাধ্যমে কাজের আশ্বাস দিয়ে তাদের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হলে আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কারাভোগ শেষে ভারতের কয়েকটি মানবাধিকার ও সমাজসেবামূলক সংস্থার উদ্যোগে তাদের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শেল্টার হোমে রাখা হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও দুই দেশের প্রশাসনিক যোগাযোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয় বাংলাদেশে।

হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সময় নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। বিজিবি, বিএসএফ, ইমিগ্রেশন পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যদের সমন্বয়ে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম শাখাওয়াত হোসেন জানান, ফেরত আসা কিশোর-কিশোরীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় দালাল চক্র এখনও সক্রিয় রয়েছে। দরিদ্র ও অসচেতন পরিবারের শিশু-কিশোরদের টার্গেট করে তারা বিদেশে কাজ, ভালো বেতন ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখায়। পরে অনেকেই মানবপাচারের শিকার হয়ে নির্যাতন, কারাভোগ ও অনিশ্চিত জীবনের মুখোমুখি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ bdcrimewatch.com | Crime Watch | reliable news portal | অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ

কারিগরী সহযোগিতায়: DHAKA SUPPLIER