|
বঙ্গাব্দ | শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

www.bdcrimewatch.com : একটি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, অবানিজ্যিক, সমাজসেবা মূলক উদ্যোগ।
আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া অনিয়ম, অসঙ্গতি ও অপরাধের তথ্য দিতে যোগাযোগ করুন।

Big Adds 2

যশোরের আলোচিত মাহমুদার বিরুদ্ধে মামলা

Reporter
রিপোর্টারের নামঃ স্টাফ রিপোর্টার
  • পোষ্ট টাইম : 2026-03-08 14:32:07
  • 26457 বার পঠিত
যশোরের আলোচিত মাহমুদার বিরুদ্ধে মামলা
ছবির ক্যাপশন: যশোরের আলোচিত মাহমুদার বিরুদ্ধে মামলা
স্বল্প সুদের লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া সেই মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যশোর সদর উপজেলার বারীনগর বানিয়ালি গ্রামের ইউসুফ আলী বিশ্বাসের ছেলে আব্দুস সোবহান শনিবার রাতে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। আসামি মাহমুদা খাতুন সদর উপজেলার বসুন্দিয়া মোড় এলাকার মৃত ডাক্তার মনসুর আলীর মেয়ে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি মাহমুদা খাতুন যশোরের ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সেই সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তিনি সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড নামক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে ঢাকায় চলে যান। তিনি তাকে সহ বিভিন্ন লোকজনকে তার প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অঙ্কের লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, লোনের বিপরীতে শতকরা ২ ভাগ হারে লভ্যাংশ দিতে হবে এবং ১০/১২ বছর পর লোন পরিশোধ হবে।
তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে তিনি বিভিন্ন লোকজনকে বিষয়টি জানান। এরপর ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত যশোর শহরের চৌরাস্তার রিচম্যান শোরুমে বসে ৩২ জনের কাছ থেকে ৭০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন মাহমুদা। ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। প্রত্যেকের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং তিন-চারটি করে ফাঁকা চেক নেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার এক মাসের মধ্যে লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
কিন্তু টাকা নেওয়ার পর তিনি আর লোন দিতে পারেননি। তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি কারও ফোন রিসিভ করেন না এবং নানা তালবাহানা করেন। যশোরেও তার দেখা মেলে না।
৭ মার্চ সকালে যশোর শহরের দড়াটানায় ‘খেলাঘর’ নামক একটি দোকানের সামনে তাকে পেয়ে ৭০ লাখ টাকা ফেরত চাওয়া হয়। কিন্তু মাহমুদা টাকা দেবেন না বলে জানান। তার যশোরে আগমনের সংবাদটি ওই ৩২ জন ছাড়াও আরও অনেকে জানতে পারে। পরে দেখা যায়, শত শত মানুষের কাছ থেকে তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
ঘটনাটি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে তার ছেলে তন্ময় জামানসহ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। শত শত ভুক্তভোগী থানায় এসে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন। টাকা উদ্ধার করতে না পেরে আব্দুস সোবহান থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। শনিবার রাতে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলমকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ bdcrimewatch.com | Crime Watch | reliable news portal | অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ

কারিগরী সহযোগিতায়: DHAKA SUPPLIER